(৩০)


আজকালকার ছেলেছোকরাদের মতিগতি বোঝা ভার। কি ভাবে কি করে হদিশ পাই না কোনো। কালকের কথাই ধরুন- আমার পুত্রবাবু দুপুরের খাবার চিবিয়ে(কম) গিলে(বেশী) গলাধঃকরন করে খাটের উপর মাথার নীচে হাত আর পায়ের উপর পা দিয়ে শুয়ে ট্যাঙাস ট্যাঙাস করে ঠ্যাং দুলিয়ে ঘুরন্ত পাখার ব্লেড গোনার চেষ্টা করছিল। জিজ্ঞাসা করলয়াম কি ভাবছিস? উত্তর দিল না- তারপর একটু চাপাচাপিতে দুটো অক্ষর উচ্চারণ করল “B F”। বিষম খেলাম, অস্বাভাবিক কিছুই না- ওর বয়সে না হলেও আর কটা চাদ পরে ওই দুটি অক্ষর একটার পরে একটা এলে আমরা পুরুষ বন্ধুর কথা বুঝতাম। আরো কয়েক বসন্ত পরে যখন জাগতিক রংবাহারের সম্পর্কে সম্যক ধারণা হল তখন সেই ছবির কথা বুঝতাম যার রঙ নীল।

আজকালকার বাচ্ছারা অনেক উন্নত মস্তিস্কের হয় ভেবে ব্রহ্মতালু চুলকে ইনিয়ে বিনিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম একটু খোলসা করবি কি? উত্তর যেটা পেলাম তার পরে পরেই মলয় বাতাস বইতে শুরু করল মৃদুমন্দ-নিশ্বাস নেওয়াটাও অনেক সহজ ও সহজাত মনে করল। তারপর ছেলের ফরমায়েস মতো কমিক্স বইগুলো আলাদা আলাদা করতে শুরু করলাম! বিকাল বেলায় ছেলে বন্ধুদের সগ্নে ‘বইমেলা, বইমেলা’ (Book Fair, Book Fair) খেলবে। আহা পৃথিবীটা এখনো পরিমল নির্মল ও ঝলমল আছে গো।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s